Thursday , February 22 2018
Breaking News
Home » CryptoCurrency » CryptoCurrency কিঃ আপনার জানা উচিত [Ultimate Guide]
what is crypto currency

CryptoCurrency কিঃ আপনার জানা উচিত [Ultimate Guide]

আজকের যুগে CryptoCurrency একটি অতিপরিচিত আলোচনার বিষয়। আপনাদের অনেকেরই এটা সমপর্কে জানার অনেক আগ্রহ।অনেকের অনুরোধে আজ আপনাদের সাথে Crypto Currency নিয়ে মোটামুটি একটি বেসিক আইডিয়া কাভার করার চেষ্টা করব।  

বিষয়ে এই লেখাটি আপনার ভাল লাগলে নিচের দিকের ৫ টা ষ্টারের ডানপাশের ষ্টারে ক্লিক করে ৫ ষ্টার ফিডব্যাক দিন এবং যেকোন প্রশ্ন বা আপনার মতামত ও উপদেশ কমেন্ট করে জানান। আপনাদের আগ্রহ ও অনুপ্রেরণা আমাদের আরো ভাল কিছু উপস্থাপন করার আগ্রহ যোগাবে।  

Cryptocurrency কি? 

Cryptocurrency একটি ডিজিটাল এসেট যা ডলারের মত একটি এক্সচেঞ্জ মাধ্যম। তবে এই কারেন্সি ডলারের মত সাধারন পদ্ধতিতে একচেঞ্জ হয় না। এটি ক্রিপ্টোগ্রাফির নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয়। ক্রিপ্টোগ্রাফি সাধারনত নিরাপদ লেনদেন এবং নতুন কয়েন তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি প্রযুক্তি।   

২০০৯ সালে প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন চালু হয়। বিটকয়েন এর পরে এখন পর্যন্ত শত শত Cryptocurrency আছে যাদের Altcoins বলা হয়। 

উত্তম Cryptocurrency এর বৈশিষ্ঠ্যঃ  

  • সর্বজন গৃহীতঃ সাধারন জনগন এবং বিনিময় মাধ্যম দ্বারা সর্বোতভাবে গৃহীত হতে হবে।  
  • স্থিতিশীলঃ সময়ের সাথে এর মূল্য পরিবর্তনের নির্দিষ্ট সীমারেখা বা যুক্তিসঙ্গতা থাকতে হবে।   
  • সংগতিপূর্ণতাঃ  পারিপার্শ্বিক প্রতিযোগিদের তুলনায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এবং মান নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে।  
  • আদান-প্রদানযোগ্যতাঃ অবশ্যই বিনিময়যোগ্যতা থাকতে হবে।    
  • দুষ্প্রাপ্যতাঃ সহজেই উৎপন্ন হওয়া যাবে না। দুষ্প্রাপ্য হতে হবে যাতে নির্দিষ্ট প্রযুক্তি ছাড়া উৎপন্ন না হয়।  
  • সহজেই স্বীকৃতঃ নির্দিষ্ট কিছু বিনিময় মাধ্যম দ্বারা সহজেই স্বীকৃত হতে হবে। 
  • লাভজনকঃ অবশ্যই অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে হবে।  
  • বিভাজনযোগ্যতাঃ যত ক্ষুদ্রাংশেই ভাগ করা হোক না কেন এর নির্দিষ্ট ও গ্রহনযোগ্য মূল্য থাকতে হবে। 

Cryptocurrency কিভাবে উৎপন্ন হয়?

বিদ্যুত শক্তিকে আর্থিক মূল্যযুক্ত কোড লাইনে রুপান্তরিত করে Cryptocurrency  তৈরি করা হয়। সাধারন কথায় এটা একটা ডিজিটাল কারেন্সি।বেশিরভাগ ক্রিপ্টোকারেন্সি  বিটকয়েনের মতো সময়ের সাথে উৎপাদন হ্রাস করার জন্য ডিজাইন করা হয়, যা তাদের উপর বাজারের ক্যাপ তৈরি করে। 

এটি মুদ্রণ মুদ্রা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন কারন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি সবসময় Centralized Currency তৈরি করতে পারে, সেইজন্য মুদ্রাস্ফীতি তৈরি হয়।বিটকয়েন ২১ মিলিয়ন কয়েনের বেশি হবে না। তবে এই সংখ্যা অতিক্রম করতে বর্তমান মানিং পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২১৪০ সাল পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। যুক্তিগত ক্রিপ্টোকারেন্সি  উপর ভিত্তি করে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাটি তৈরি করা হয় সাটোশী নাকামোটো দ্বারা।

Currency কত প্রকার ? 

কারেন্সি সাধারনত দুই ধরনের। যথাঃ

এক. Centralized Currency:  যে কারেন্সি সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে Centralized Currency বলে।সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে এই কারেন্সির উৎপন্ন বা প্রিন্টিং নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।  যেমনঃ ডলার, বিভিন্ন দেশীয় মুদ্রা ইত্যাদি। 

দুই. Decentralized Currency: যে কারেন্সি সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় না তাকে Centralized Currency বলে। যেমনঃ  বেশিরভাগ ক্রিপ্টীকারেন্সি। 

Cryptocurrency এর ইতিহাস 

প্রথম ক্রিপ্টোকেরেন্সি হল বিটকয়েন। ২০০৯ সালে Satoshi Nakamoto নামে একজন ছদ্মনামী ডেভেলপার বিটকয়েন তৈরি করেন।বিটকয়েন SHA-256 ব্যবহার করে, যা ইউএস ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি দ্বারা পরিকল্পিত ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ ফাংশনগুলির একটি সেট। বিটকয়েন একটি  ক্রিপ্টোকারেন্সি  যা  “proof-of-work পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে পরিচালিত। 

২০১১ সালের এপ্রিল মাসে Namecoin  নামে প্রথম altcoin চালু হয়। এটিও একটি  Decentralized Currency যা ইন্টারনেট সেন্সরশীপ আরো কঠিন করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

২০১১ সালের অক্টোবর মাসে রিলিজ পায় Litecoin। এটি scrypt হ্যাস ফাংশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত প্রথম সফল ক্রিপ্টোকারেন্সি । তৎকালীন সময়ে বিটকয়েন মাইনিং শুধুমাত্র ASIC machines এর মাধ্যমে হত যার জন্য সাধারন মানুষ বিটকয়েন মাইনিং করতে পারত না। কিন্তু litecoins সাধারন হার্ডওয়ারের মাধ্যমে মাইনিং হওয়ায় জনসাধারনের জন্য মাইনিং উন্মুক্ত হয়। Litecoin মিডিয়ার নজরে এসেছিল ২০১৩ সালে ততদিনে তাদের মার্কেট ক্যাপ ১ বিলিয়ন ডলার। 

২০১২ সালে বিটকয়েনের একই টেকনোলজিতে তৈরি হয় Ripplecoin ( XRP) । এটি ক্রিপ্টোকেরেন্সি হলেও পেপালের মত পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবে ব্যবহৃত হয়।  

এভাবে প্রতিনিয়ত বিভিন ব্যক্তি মালিকানাধীন এবং কোম্পানির অধীনের এখন পর্যন্ত প্রায় তের শতের উপরে কয়েন আছে।   

Market Capitalization 

মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন , ভলিয়ম এবং গ্রহনযোগ্যতার ভিত্তিতে সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টো কারেন্সি হলে বিটকয়েন। দ্বিতীয় অবস্থানে ইথারিয়াম। এরপর বিটকয়েন ক্যাশ, রিপল,লাইটকয়েন, ড্যাশকয়েন। 

তবে এই পরিসংখ্যান প্রতিনিয়ন পরিবর্তনশীল। মার্কেটের বর্তমান অবস্থা। 

CryptoCurrency Hash কি? 

Cryptocurrency মাইনিং পাওয়ার পরিমাপের একক হল হ্যাশ। এই হ্যাশ পাওয়ারকে KH/S , MH/s , GH/s , TH/S ইত্যাদি আকারে প্রকাশ করা হয়। 

  • check
    1 KH/S = 1,000 hashes a second
  • check
    1MH/s = a million hashes a second
  • check
    1 GH/s = one billion a second

একজন মাইনার সফলভাবে একটি  ব্লক solve করে একটি নতুন হ্যাশ তৈরি করে।হ্যাশ অ্যালগরিদম বিশাল পরিমান ডাটাকে একটি নির্দিষ্ট  দৈর্ঘের  হ্যাশে রুপান্তর করে বড় মানের তথ্যকে সক্রিয় করে। যদি আপনি অ্যালগরিদম জানেন তবে আপনি একটি হ্যাশটি সমাধান করতে পারেন এবং আসল ডেটা খুঁজে পেতে পারেন। কিন্তু সাধারণ চোখের কাছে এটি একটি সংখ্যার  গুচ্ছমাত্র । এখান থেকে  প্রকৃত তথ্য খুঁজে বের করা কার্যত অসম্ভব।  

SHA vs. Scrypt

কয়েন মাইনিং এর জন্য সাধারনত দুই জনের হ্যাশ ফাংশন ব্যবহার করা হয়। SHA-256 এবং Scrypt। এছাড়া অন্যান্য কিছু হ্যাশ ব্যবহার করা হয়।এছাড়া   scrypt-N এবং x11 এই দুটি হ্যাশ ফাংশনও কিছু কিছু কয়েন মাইনিং এর জন্য ব্যবহার করা হয়।  

এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে এই তারকা চিহ্নের ডানপাশের তারকা ক্লিক দিয়ে একটি ফিডব্যাক দিন। 

CryptoCurrency কিঃ আপনার জানা উচিত [Ultimate Guide]
4.5 (90%) 18 votes

About Maz Sujon

One comment

  1. nice, you r a great, Go ahead…..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *